ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে এমনিতেই খেলোয়াড়দের প্রচুর দৌড়াতে হয়। সে কারণে আক্রমণভাগ, উইং, ডিফেন্সিভ মিডফিল্ড কিংবা রক্ষণেও দৌড়ে গতি থাকা বিশেষ এক গুণ। আক্রমণভাগ হলে তো কথাই নেই। প্রিমিয়ার লিগের ইতিহাসে আক্রমণভাগের সেরা সব খেলোয়াড়কেই এই গুণটা ধারণ করতে হয়েছে।
রায়ান গিগস, মাইকেল ওয়েন, থিয়েরি অঁরি, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো থেকে কাইল ওয়াকার কিংবা গ্যারেথ বেলরা এমনই ছিলেন। তাঁদের দৌড়ে যেন আগুনের স্ফুলিঙ্গ ছড়াত! বেল এবং রোনালদোকে নিয়ে লিভারপুলের সাবেক কোচ ব্রেন্ডন রজার্স যেমন একবার বলেছিলেন, তাঁরা অলিম্পিকেও দৌড়াতে পারবেন!
কিন্তু সেসব তো অতীতের কথা। ২০২৬ সালে পা রাখার আগে প্রিমিয়ার লিগে এমন কারা আছেন, অলিম্পিকের ট্র্যাকে যাঁরা দৌড়বিদদেরও ঘাম ছুটিয়ে দেওয়ার সামর্থ্য রাখেন? ম্যানচেস্টার সিটি স্ট্রাইকার আর্লিং হলান্ড কিংবা ফুলহাম উইঙ্গার আদামা ত্রায়োরেরকে মনে পড়তে পারে। উঁকি দিতে পারেন টটেনহাম সেন্টারব্যাক মিকি ফন ডি ফেনও। চ্যাম্পিয়নস লিগে গত মাসেই কোপেনহেগেনের ডিফেন্স–চেরা দৌড়ে নজরে পড়েন এই ডাচ ফুটবলার।
আশ্চর্যের বিষয়, অপ্টার মাধ্যমে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম মেইল অনলাইন চলতি সপ্তাহে প্রিমিয়ার লিগে দৌড়ে দ্রুততম খেলোয়াড়দের যে তালিকা প্রকাশ করেছে, তাতে হলান্ড কিংবা মিকি শীর্ষ দশেও নেই! শীর্ষে আছেন এমন একজন, যাঁর নাম শুনে একটু চমকে যেতেই পারেন। উলভারহ্যাম্পটনের ফুলব্যাক জ্যাকসন চাচুয়া!
বেলজিয়ান এই ফুটবলারের প্রসঙ্গে আসার আগে তাঁর দলের ব্যাপারটা বলতেই হয়। প্রিমিয়ার লিগের চলতি মৌসুমে এ পর্যন্ত ১৭ ম্যাচ খেলে উলভারহ্যাম্পটন জয়বঞ্চিত! দুই ড্রয়ে ২ পয়েন্ট নিয়ে সবার তলানিতে রয়েছে দলটি। ৯ গোল করার বিপরীতে তারা হজম করেছে ৩৭ গোল। এমন একটি ক্লাবের ডিফেন্ডার যখন দৌড়ে সবচেয়ে দ্রুতগতিসম্পন্ন হন, তখন অবাক না লাগাটাই তো অস্বাভাবিক!

