২১ ফেব্রু ২০২৬, শনি

ইফতারে খেঁজুর খাওয়ার উপকারিতা

বেশির ভাগ রোজাদারই খেজুর খেয়ে রোজা ভাঙেন। এতে শরীরের কী উপকার হয় জানেন? অনেকেই একটি বা দুটি খেজুর খেয়ে রোজা ভাঙেন। সারা বিশ্বেই এই রীতির চল রয়েছে।

কিন্তু এই কাজ কি শুধুই রীতি মেনে করা হয়? নাকি খেজুর খেয়ে রোজা ভাঙলে শরীরেরও উপকার হয়?

প্রথমত- সারা দিন রোজা রাখার পর এমন কিছু খাওয়া জরুরি, যা কম সময়ে জোগাবে কর্মশক্তি। তার জন্য খেজুর খুব উপযোগী একটি খাদ্য। পাশাপাশি খেজুরে রয়েছে আরও নানা গুণ। আসুন জেনে নেওয়া যাক তেমন কয়েকটি গুণাগুণ।

১. খেজুর হজমশক্তি বাড়াতে সক্ষম। সারা দিন না খাওয়ার পর সন্ধ্যায় ইফতারে ভালোমন্দ খাওয়ার চল রয়েছে গোটা বিশ্বেই। বিশেষ করে নানা ফল এবং ভাজাপোড়া খান অনেকে। খেজুর সেসব খাবার হজম করতে সাহায্য করে।

২. খেজুরে রয়েছে পুষ্টির নানা উপাদান। বিশেষ করে সারাদিন রোজা রাখার কারণে শরীরের ফাইবার প্রয়োজন। খেজুর তা জোগাতে পারে।

৩. রোজার সময় সারাদিন কিছু না খেয়ে থাকতে হয়। কিন্তু দিনের কাজ তো চালিয়ে যেতে হয়। তার জন্য শরীর সচল রাখতে হবে। খেজুরে রয়েছে ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, ভিটামিন। এই তিনটি উপাদান শরীর সচল রাখে। ৪. খেজুরে রয়েছে ক্ষারীয় লবণ, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। নিয়ন্ত্রণ করে রক্তে শর্করার মাত্রাও।

৫. খেজুর হজম করা সহজ। তাই অনেকেই এটি খেয়ে থাকেন। তবে অতিরিক্ত ঠিক হবে না। মনে রাখতে হবে, যদি কোনো বিশেষ রোগ থাকে যেমন ডায়াবেটিস বা কিডনি রোগ, তারা ডাক্তার ও পুষ্টিবিদের সঙ্গে কথা বলে নিবেন। কথায় আছে প্রতিকার নয় প্রতিরোধ উত্তম।

তথ্যসূত্র : বিবিসি গুড ফুড, হেলথ লাইন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *