১০ ফেব্রু ২০২৬, মঙ্গল

কাঁচা হলুদে কমাবে কোলেস্টেরল ও প্রদাহ

  1. আমাদের রান্নাঘরে কাঁচা হলুদের ব্যবহার রান্নার স্বাদ বৃদ্ধি থেকে স্বাস্থ্যরক্ষা পর্যন্ত বিস্তৃত। ভাজাপোড়া হোক অথবা ভুনা করা রান্না, হলুদ থাকবেই। তবে সমস্যা হলো, অধিকাংশ ক্ষেত্রে কাঁচা হলুদের পরিবর্তে গুঁড়া মসলা দেওয়া হয়। কিন্তু গুঁড়ার তুলনায় কাঁচা হলুদ খাওয়া বেশি উপকারী। তাই কাঁচা হলুদ দিয়েই ঘরে বানিয়ে নিতে পারেন রকমারি পদ।

হলুদে থাকা কারকিউমিন নামক অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টের জন্যই এর কদর অনেক। ভিটামিন ই বা ভিটামিন সি-র তুলনায় পাঁচ থেকে আট গুণ বেশি কার্যকরী অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট কারকিউমিন শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। পাশাপাশি, কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে, শরীরে প্রদাহ নাশ করে। তাই এই কাঁচা হলুদ দিয়েই ঘরে বানিয়ে নিতে পারেন রকমারি পদ।

কাঁচা হলুদের আচার

শীতকালের জন্য উপযুক্ত। টুকরা করা কাঁচা হলুদ প্রথমে গরম সরিষার তেলে মেশাতে হয়। তারপর তাতে কাঁচামরিচ, লবণ, রসুন ও আদা—সব দিয়ে চটজলদি বানানো যায় এই আচার। সকালে পরোটা বা আটার রুটি র সঙ্গে দারুণ লাগে খেতে।

হলুদের তরকারি

কাঁচা হলুদ, বেসন, আদা ও বিভিন্ন মসলা ব্যবহার করে মাখামাখা এই তরকারি তৈরি করা হয়। গরম গরম রুটি ও ভাতের সঙ্গে খাওয়া যায় এই তরকারি।

কাঁচা হলুদের থোক্কু

ভারতের তামিলনাড়ুতে এই পদের সুখ্যাতি প্রচুর। থোক্কু মূলত কাঁচা হলুদ, তেঁতুল, শুকনা মরিচ ও তিলের তেল দিয়ে তৈরি ঘন ও ঝাল ঝাল চাটনি। দোসা, ইডলি, উত্তপ্পম, এমনকি দই-ভাতের সঙ্গেও ভালো লাগে এই খাবার খেতে।

কাঁচা হলুদের ঘি

কাঁচা হলুদ ধীরে ধীরে দেশি ঘিয়ে ফুটিয়ে নেওয়া হয়। তার পর ছেঁকে নেওয়া হয়। পরে অন্য রান্নায় ব্যবহার করা যেতে পারে অথবা রুটির উপর মাখিয়েও খেতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *