১১ ফেব্রু ২০২৬, বুধ

কুয়াশা ও ঠান্ডায় কুপকাত সৈয়দপুরের জনপদ

কুয়াশার সাথে হিমেল হাওয়ার প্রভাবে বেড়েছে শীত। রাত থেকে সকাল ১০-১১টা পর্যন্ত হাড় কাঁপানো শীতে কাঁপছে সৈয়দপুরের জনপদ। ফলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন।

রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকাল ৭টায় সৈয়দপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

ভোর থেকে সকাল ৭-৮টা পর্যন্ত বৃষ্টির ফোঁটার মতো ঝরছে কুয়াশা। গত তিন দিন থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত দেখা মেলেনি সূর্যের। গভীর রাত থেকে কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকছে সারা সৈয়দপুর উপজেলা। এ কারণে সকাল ৮টা পর্যন্ত হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে বিভিন্ন যানবাহন। এ সময় সৈয়দপুর বিমানবন্দরে বিমান ওঠা নামায় বিঘ্ন ঘটছে।

সৈয়দপুর বিমানবন্দর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লোকমান হোসেন এ তথ্য জানিয়েছেন। শীতের এই প্রভাব আরও কয়েক দিন থাকতে পারে এবং তাপমাত্রা আরও কমে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

দিনের তাপমাত্রার চেয়ে রাতের তাপমাত্রা অনেক কম হওয়ায় ঠান্ডা বেশি অনুভূত হচ্ছে। গ্রামের মানুষ খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছে। প্রচণ্ড শীতে কাজে বের হতে পারছে না শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষ। ঘন কুয়াশা আর ঠাণ্ডায় নষ্ট হচ্ছে ধানের বীজতলা ও আলুক্ষেত। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।

রোববার সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, রাতভর পড়া কুয়াশায় ভিজে আছে বীজতলা। তীব্র শীতকে উপেক্ষা করে ২৫ শতাংশ মানুষ কাজের সন্ধানে ছুটছেতবে শহরে মানুষের গরম কাপড়ের দোকানপাট ছাড়া অন্যান্য এলাকায় সমাগম থাকছে কম

হঠাৎ ২-৩দিন থেকে শীত বেড়ে যাওয়ায় রেললাইনের ধারে ও ফুটপাতে গরম কাপড়ের দোকানে ভিড় জমাচ্ছেন নিম্ন আয়ের ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ। কিছুটা কম দামে শীতের কাপড় কিনে শীত নিবারণের আশায় দোকানগুলোতে ছুটছে ক্রেতা সাধারণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *