ইরানে হামলায় দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হয়েছেন। এখন প্রশ্ন, খামেনির মৃত্যুর পর ইরানের নেতৃত্ব কে দেবেন?
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছে আল-জাজিরা। এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়, সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যু হলে কী হবে, সে ব্যাপারে ইরানের সংবিধানে একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া নির্ধারিত আছে।
সেই প্রক্রিয়া অনুযায়ী, তিন সদস্যের একটি পরিষদ দেশটির দায়িত্ব নেবে।
এই পরিষদে থাকবেন ইরানের প্রেসিডেন্ট, বিচার বিভাগের প্রধান ও গার্ডিয়ান কাউন্সিলের একজন ধর্মীয়নেতা।
এ ছাড়া এমন খবর পাওয়া যাচ্ছে যে, ইরানের ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব আলী লারিজানিকে কিছু কর্তৃত্ব দেওয়া হয়েছে।
তবে সার্বিকভাবে বললে, খামেনির মৃত্যুর পর অনুসরণ করার মতো সাংবিধানিক প্রক্রিয়া ইরানে রয়েছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলাকালে গতকাল শনিবার সকালে ইরানের রাজধানী তেহরানে নিজ কার্যালয়ে নিহত হন খামেনি।
খামেনির নিহত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে ইরান। বিবিসির খবরে বলা হয়, সর্বোচ্চ নেতার মৃত্যুতে ইরানে ১ মার্চ থেকে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।
গতকাল শনিবার সকালে ইরানজুড়ে তীব্র হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। জবাবে ইসরায়েলসহ উপসাগরীয় কয়েকটি দেশে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায় ইরান।
যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলায় ইরানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আমির নাসিরজাদেহ, বিপ্লবী গার্ডের কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুরেরও নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে হামলা চালানোর পেছনে তিনটি লক্ষ্যের কথা বলেছেন। প্রথমত, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেছেন, আসন্ন হুমকি নির্মূল করা। দ্বিতীয়ত, ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ও নৌবাহিনীকে ধ্বংস করা। তৃতীয়ত, ইরানে শাসকগোষ্ঠীর পরিবর্তন।

