১১ ফেব্রু ২০২৬, বুধ

ভিনি-এমবাপ্পে জ্বলে উঠতেই স্বরূপে ফিরল রিয়াল

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে দুর্দান্ত এক জয় পেয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। মঙ্গলবার রাতে তারা মোনাকোকে ৬-১ গোলে হারায়। এই ম্যাচে সাবেক ক্লাবের বিপক্ষে দুটি গোল করেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। এই জয়ে ক্লাবের ভেতরের চাপ অনেকটাই কমেছে।

ভিনিসিয়ুস জুনিয়রও এদিন ফিরেছেন স্বরূপে। লেভান্তের বিপক্ষে আগের ম্যাচে নিজ মাঠে সমর্থকদের দুয়ো শুনেছিলেন তিনি। এবার সেই ভিনিসিয়ুসই একটি দারুণ গোল করেন। রিয়াল লিগ পর্বে শীর্ষ আটে থাকার লড়াই আরও শক্ত করল।

নতুন কোচ আলভারো আরবেলোয়ার অধীনে এটি রিয়ালের টানা দ্বিতীয় জয়। জাবি আলোনসোর জায়গায় দায়িত্ব নেওয়ার পর দল খেলেছে চোখধাঁধানো আক্রমণাত্মক ফুটবল।

রিয়ালের হয়ে গোল করেন জুড বেলিংহাম ও ফ্রাঙ্কো মাস্তানতুয়োনো। ভিনিসিয়ুসের ক্রসে আত্মঘাতী গোল করেন মোনাকোর থিলো কেরার। এই ম্যাচটি ছিল চলতি মৌসুমে রিয়ালের সেরা পারফরম্যান্সগুলোর একটি।

এমবাপ্পে দারুণ ফর্মে আছেন। দল কঠিন সময়েও তিনি নিয়মিত গোল করেছেন। এই ম্যাচে দুই গোল করে ইউরোপিয়ান গোলদাতার তালিকায় তিনি এগিয়ে গেলেন। এটি ছিল তার ১০ম ও ১১তম গোল।

ম্যাচের পঞ্চম মিনিটেই গোল করেন এমবাপ্পে। বক্সের ভেতর থেকে নিখুঁত শটে তিনি বল জালে পাঠান। গোল করার পর সফরকারী ফরাসি সমর্থকদের দিকে তাকিয়ে ক্ষমাও চান।

মোনাকোর হয়ে আনসু ফাতি একটি সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু এরপরই আবার আক্রমণে যায় রিয়াল। দ্রুত পাল্টা আক্রমণ থেকে দ্বিতীয় গোলটি করেন এমবাপ্পে।

মোনাকো কিছুটা লড়াই করার চেষ্টা করে। জর্ডান তেজের একটি শট ক্রসবারে লাগে। রিয়ালের গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া কয়েকটি ভালো সেভ করেন।

বিরতির পরপরই তৃতীয় গোল পায় রিয়াল। ভিনিসিয়ুস সুযোগ তৈরি করে দেন মাস্তানতুয়োনোর জন্য। তিনি সহজেই গোল করেন। ৫৫ মিনিটে স্কোরলাইন হয় ৪-০। ভিনিসিয়ুসের ক্রস থেকেই আত্মঘাতী গোল করেন কেরার।

ভিনিসিয়ুস পরে পঞ্চম গোলটি করেন। গোলের পর কোচ আরবেলোয়ার সঙ্গে আলিঙ্গন করেন তিনি। ম্যাচের শুরুতে কিছু দুয়ো শোনা গেলেও পরে তা থেমে যায়।

মোনাকোর হয়ে একটি গোল শোধ দেন তেজে। এরপর ৮০ মিনিটে শেষ গোলটি করেন জুড বেলিংহাম। গোলরক্ষককে কাটিয়ে তিনি সহজে বল জালে পাঠান। এই বড় জয়ে আত্মবিশ্বাস ফিরে পেল রিয়াল মাদ্রিদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *