পঞ্চগড়ে শীতের দাপট অব্যাহত রয়েছে। ঘন কুয়াশা ও উত্তরের হিম বাতাসে স্থবির হয়ে পড়েছে এই জনপদের জীবনযাত্রা। গত কয়েকদিনের টানা তীব্র শীত ও সূর্যের দেখা না মেলায় দিনমজুর ও খেটেখাওয়া মানুষ, শিশু ও বয়স্করা দুর্ভোগে পড়েছেন।
আজ রবিবার সকাল ৬টায় জেলার তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড কর হয়েছে ৭ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১০০ শতাংশ। বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮ থেকে ১০ কিলোমিটার। গতকাল শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সেদিন বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৯ শতাংশ এবং বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১০ থেকে ১২ কিলোমিটার। ওই দিন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সকালে চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছিল ৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ওই দিন দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সকালে জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৯ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ১৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন বুধবার (৭ জানুয়ারি) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে এসেছিল ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, আর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, গত কয়েক দিন ধরে তেঁতুলিয়ায় তাপমাত্রার ওঠানামা করছে। গতদুইদিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা অবস্থান করার পর আজ জেলায় মাঝারি শৈতপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আগামী কয়েক দিন এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।

