২৪ মে ২০২৬, রবি

পাকিস্তানে সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে দুই পুলিশসহ নিহত ২৯

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বান্নু জেলার মিরিয়ান তহসিলের বারাকজাই আখুন্দখেল এলাকায় পুলিশ, শান্তি কমিটি ও সন্ত্রাসীদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে দুই পুলিশ সদস্যসহ ২৯ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে দুজন বেসামরিক নাগরিকও ছিলেন। খবর দ্য ডনের।
জেলা পুলিশ কর্মকর্তা ইয়াসির আফ্রিদি জানান, অভিযানে ২৫ জনের বেশি সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে।

সূত্র জানায়, শনিবার (২৩ মে) বিপুল সংখ্যক সন্ত্রাসীর উপস্থিতির খবর পেয়ে ওই এলাকায় পুলিশ ও শান্তি কমিটি দ্রুত অভিযান শুরু করে। পরে লাক্কি মারওয়াতের শান্তি কমিটিও বান্নু পুলিশকে সহায়তা করতে সেখানে পৌঁছে।

সন্ত্রাসীরা বিভিন্ন সড়কে ব্যারিকেড তৈরি করেছিল। তবে পুলিশ সেগুলো সরিয়ে সামনে এগিয়ে যায়।
পুলিশ সূত্রের দাবি, তীব্র গুলিবর্ষণের মধ্যেও পুলিশ সদস্যরা নিরাপদে থানায় পৌঁছাতে সক্ষম হন এবং অতিরিক্ত বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, অভিযানে দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী কমান্ডার জমারি নূর ও আবদুল্লাহও নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, বারাকজাই এলাকায় এখনও বিপুলসংখ্যক সন্ত্রাসী অবস্থান করছে। ফলে দুই পক্ষের মধ্যে থেমে থেমে গুলিবর্ষণ চলছে এবং উত্তেজনা বিরাজ করছে।

নিহত পুলিশ সদস্যরা হলেন ওয়াহিদ খান ও নূরুল্লাহ। আহত পুলিশ সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন ওয়াহিদুল্লাহ, শাহ বখতিয়ার, সাজ্জাদুল্লাহ, এসএইচও নওরাং আসমতুল্লাহ নিয়াজি, জোহাইব খান, আতিফ ও নোমান কোরেশি।
নিহত দুই বেসামরিক ব্যক্তি হলেন অবসরপ্রাপ্ত এফসি কর্মকর্তা রাইব খান এবং নাসির খান। আহত বেসামরিক ব্যক্তিরা হলেন মহসিন, বখত আলী ও সাফিউল্লাহ।

এদিকে, বান্নু-মিরানশাহ সড়কের মামা শ খেলে গুল জামান মসজিদের কাছে পুঁতে রাখা ১০ কেজি ওজনের রিমোট নিয়ন্ত্রিত বোমা নিষ্ক্রিয় করে বড় ধরনের নাশকতার চেষ্টা নস্যাৎ করেছে বান্নু পুলিশ।

বোমা নিষ্ক্রিয়কারী দল দ্রুত অভিযান চালিয়ে বিস্ফোরকটি নিরাপদে নিষ্ক্রিয় করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *