৫ জুন ২০২৬, শুক্র

তীব্র গরমে হিটস্ট্রোকের ঝুঁকি কমাবে যে ৫ খাবার

দেশজুড়ে চলমান তাপপ্রবাহে হিটস্ট্রোক, পানিশূন্যতা ও তাপজনিত নানা স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়েছে। চিকিৎসকদের মতে, দীর্ঘ সময় অতিরিক্ত গরমের মধ্যে থাকলে ডিহাইড্রেশন, পেশিতে খিঁচুনি এবং গুরুতর ক্ষেত্রে হিটস্ট্রোকের মতো প্রাণঘাতী সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা জানান, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, তীব্র মাথাব্যথা, দ্রুত হৃদস্পন্দন, বিভ্রান্তি, গাঢ় হলুদ প্রস্রাব, খিঁচুনি কিংবা জ্ঞান হারানোর মতো লক্ষণ দেখা দিলে তা অবহেলা করা উচিত নয়। এসব উপসর্গ হিটস্ট্রোকের সতর্ক সংকেত হতে পারে।

তীব্র গরমে শরীরের পানির ভারসাম্য বজায় রাখতে এবং সুস্থ থাকতে খাদ্যতালিকায় কিছু খাবার ও পানীয় যুক্ত করার পরামর্শ দিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।

ঘোল ও লাচ্ছি

গরমের দিনে শরীর ঠান্ডা রাখতে ঘোল ও লাচ্ছি বেশ উপকারী। তবে বাড়িতে তৈরি ঘোল বা লাচ্ছি পান করাই ভালো। খোলা জায়গায় বিক্রি হওয়া শরবত বা পানীয় স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

ডাবের পানি

প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইটে সমৃদ্ধ ডাবের পানি শরীরের পানিশূন্যতা দূর করতে কার্যকর। এতে থাকা বিভিন্ন খনিজ ও পুষ্টি উপাদান শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে।

লেবুর শরবত

গরমে প্রশান্তি পেতে লেবুর শরবতের বিকল্প নেই। সামান্য লবণ মিশিয়ে তৈরি এই পানীয় শরীরের ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে। তবে অতিরিক্ত চিনি ব্যবহার না করাই ভালো।

তরমুজ

পানিসমৃদ্ধ ফল তরমুজ গ্রীষ্মকালে শরীরের পানির চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। একই সঙ্গে এটি শরীর ঠান্ডা রাখতে এবং তাপজনিত সমস্যার ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে।

শসা

শসায় প্রচুর পরিমাণে পানি থাকায় এটি শরীরকে শীতল রাখতে কার্যকর। সালাদ, রায়তা বা সাধারণভাবেও শসা খাওয়া যায়। নিয়মিত শসা খেলে শরীর সতেজ থাকে এবং পানিশূন্যতার ঝুঁকি কমে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, তাপপ্রবাহের সময়ে পর্যাপ্ত পানি পান করার পাশাপাশি এসব খাবার খাদ্যতালিকায় রাখলে হিটস্ট্রোক ও অন্যান্য তাপজনিত অসুস্থতার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *