কুড়িগ্রামে তিস্তা, ধরলা,দুধকুমার ও ব্রহ্মপুত্রসহ সবকটি নদ নদীর পানি আবারও বেড়েছে। গত তিন দিন থেকে নতুন করে এসব নদ-নদীর পানি বেড়ে পাওয়ায় বন্যা পরিস্থিতি অপরিবতিত রয়েছে। আজ বুধবার তিস্তা নদীতে পানি বেড়ে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, গত ২৪ ঘন্টায় রাজারহাটে তিস্তা নদীর কাউনিয়া পয়েন্টে পানি ১৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে ও দুধকুমার নদের পানি ৮ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৩৬ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এ ছাড়াও ধরলা নদীর শিমুলবাড়ি ও সেতু পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্র নদের হাতিয়া,চিলমারী ও নুনখাওয়া পয়েন্টে পানি বেড়ে বিপদসীমার ৩৫ থেকে ৪০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অথাৎ এখন সবকটি নদনদীর পানি দ্রুত বাড়ছে।
তবে স্থানীয় পাউবো জানিয়েছে,আগামী ২৪ঘন্টা পানি বেড়ে আবার কমতে শুরু করবে। ফলে এসব নদনদী অববাহিকার নিম্নাঞ্চলে পানি উঠে প্লাবিত হয়েছে। এ সব এলাকার বাড়ি ঘরে পানি প্রবেশ করেছে। তলিয়ে যাচ্ছে এসব এলাকার নতুন নতুন ফসল।কৃষকরা দুশ্চিন্তায় দিন পার করছেন।
এদিকে,তিস্তা,ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি কমা ও বাড়ার কারণে নদীতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। জেলার রাজারহাট উপজেলার ঘড়িয়াল ডাঙার রামহরি ও বুড়িরহাট বাজার,উলিপুরের হাতিয়া,দাগারকুটি,চিলমারীর রানীগঞ্জের কাচকল,সদরের চর যাত্রাপুরসহ জেলার অনেক স্থানে নদী ভাঙছে। জেলা ও উপজেলা পাউবো জিও ব্যাগ ফেলে প্রতিরোধের চেষ্টা করলে তা কাজে আসছে না বলে অভিযোগ এলাকাবাসীদের।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোডের নিবাহী প্রকৌশলী রাকিবুল হাসান জানান,এখন নদনদীর পানি কমা বাড়ায় ৩৮টি স্থানে নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে।

