২৮ মার্চ ২০২৬, শনি

কুড়িগ্রামে শীতের তীব্রতায় জনজীবনে ভোগান্তি

কুড়িগ্রামে হিমেল হাওয়ার দাপটে জেঁকে বসেছে শীত। তাপমাত্রা কমতে থাকায় শীতের তীব্রতা বেড়েছে। টানা পাঁচ দিন ধরে সারাদিন সূর্যের দেখা নেই। প্রকৃতি কুয়াশার চাদরে ঢাকা। ফলে সাধারণ মানুষের জীবন ওষ্ঠাগত হয়ে পড়েছে।

রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে বলে জানান রাজারহাট আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার।

কুড়িগ্রাম কালে মৌজার আমজাদ হোসেন জানান, ঠান্ডা ও কুয়াশার কারণে বোরো বীজতলা লাল বর্ণ ধারণ করেছে। কনকনে ঠান্ডার কারণে কৃষিশ্রমিকরা মাঠে কাজ করতে পারছেন না। ফলে কৃষিকাজ ব্যাহত হচ্ছে।

সন্ধ্যা থেকে সকাল ১১টা পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় চারদিক ঢাকা থাকছে। এরপরও সারাদিন কুয়াশাচ্ছন্ন থাকায় সূর্যের আলো মিলছে না। এতে শীতের তীব্রতায় ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ।

দিনের অধিকাংশ সময় সূর্য মেঘে ঢাকা থাকছে। সন্ধ্যার পর থেকে সকাল পর্যন্ত হিমেল বাতাসে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। কুয়াশার কারণে দূরপাল্লার যানবাহনগুলো দিনের বেলায়ও হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে।

অন্যদিকে, কুয়াশা ও শীতের তীব্রতায় কৃষিশ্রমিক ও খেটে খাওয়া মানুষগুলো বিপাকে পড়েছেন। কারণ তারা কাজে যেতে পারছেন না। কেউ কাজে গেলেও শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।

শীত নিবারণে অসহায় ও দুঃস্থ মানুষ খড়কুটো জ্বালিয়ে উষ্ণতা নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

অপরদিকে, হিমেল বাতাসে শীতের কবলে পড়েছে জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত ১৬টি নদ-নদীর তীরবর্তী চার শতাধিক চর ও দ্বীপচরের হতদরিদ্র মানুষগুলো।

হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা দিন দিন বেড়ে চলেছে।

By Fhrakib

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *