সুস্থ থাকতে চাইলে সকালে ব্যায়াম করা আবশ্যক। এর কোনো বিকল্প নেই বলেও মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। যদিও বর্তমানে সকালে হাঁটতে বের হলে স্বাস্থ্য ভালো হওয়ার পরিবর্তে বিগড়ে যেতে পারে। পিছু নিতে পারে অ্যাজমা অ্যাটাক। পাশাপাশি কাশি হতে পারে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
এখন প্রশ্ন হলো, কেন সকালে হাঁটলে এমন সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা। আর সেই উত্তরটাও দিয়েছেন চিকিৎসকরা। চলুন, জেনে নেওয়া যাক—
কেন সমস্যা
চিকিৎসকরা বলেন, সকালের দিকের আবহাওয়া খুবই ঠাণ্ডা। মাঝেমধ্যে উত্তরে হাওয়াও চলছে। তাই এই সময় এমনিতেই অ্যাজমা রোগীদের অ্যাটাক হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ ছাড়া বর্তমানে সকালের ঠাণ্ডা আবহাওয়ায় ক্ষতিকর কণা পিএম ২.৫ থেকে পিএম ১০ মাটির কাছাকাছি চলে আসে। আর শ্বাস নিলে এসব ক্ষতিকর কণা ফুসফুসে পৌঁছে যায়। যার ফলে বাড়তে পারে বিপদ। এই কারণে অ্যাজমা অ্যাটাক হতে পারে। পাশাপাশি কাশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
অ্যাজমা নিয়ে সাবধান
আসলে অ্যাজমা হলো একটি অ্যালার্জিজনিত অসুখ। এই অসুখে আক্রান্ত রোগীর ফুসফুস অ্যালার্জেনের সস্পর্শে এলে বিপদ বাড়ে। তখন ফুসফুসের অন্দরে উপস্থিত ছোট ছোট শ্বাসনালি সরু হয়ে যায়। যার ফলে শুরু হয়ে যায় শ্বাসকষ্ট। আর এই সময় সকালে হাঁটলে অ্যাজমা অ্যাটাক হতে পারে বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকরা।
তবে যাদের অ্যাজমা নেই, তাদেরও সকালে হাঁটতে বারণ করছেন চিকিৎসক। তাদের মতে, এই সময় সকালে হাঁটলে সুস্থ মানুষেরও কাশি হতে পারে। তাই সাবধান হয়ে মর্নিং ওয়াক করুন।
কখন হাঁটবেন
এই চিকিৎসক জানালেন, সুস্থ থাকতে চাইল হাঁটতে হবে। যদিও সকালে নয়, বিকেলের দিকে হাঁটুন। এমনকি সন্ধ্যাতেও চলাফেরা করা যায়। তাতেই সুস্থ থাকতে পারবেন। সুগার, প্রেশার, কোলেস্টেরল কমবে। ওজন থাকবে নিয়ন্ত্রণে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।
কতক্ষণ হাঁটা জরুরি
সুস্থ থাকতে চাইলে ১০-১৫ মিনিট হাঁটলে চলবে না। বরং দিনে অন্তত ৩০ মিনিট চলতে হবে। তার বেশি সময় হাঁটা ভালো। তবে এর থেকে কম নয়। এই নিয়মটা মেনে চললেই সুস্থ থাকার কাজে এগিয়ে যাবেন বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। তাই চিকিৎসকের এই পরামর্শ মেনে চলুন।

