১১ ফেব্রু ২০২৬, বুধ

তরেসের গোল, গার্সিয়ার সেভ বার্সাকে নিয়ে গেল শেষ আটে

প্রতিপক্ষ রেসিং সান্তান্দের, যারা লা লিগার দ্বিতীয় বিভাগের দল। তাদের বিপক্ষে জয়টাই কাম্য ছিল; বার্সেলোনা জিতলও, তবে তাদের এই জয়টা সহজে আসেনি। ফেররান তরেসের গোল আর গোলরক্ষক হোয়ান গার্সিয়ার দুর্দান্ত সেভে ভর করে জিততে হয়েছে তাদের। ২-০ গোলের এই জয় নিয়ে তারা চলে গেছে কোপা দেল রের শেষ আটে।

সান্তান্দের দ্বিতীয় বিভাগের দল হলেও আছে সেই লিগের প্রথম স্থানে, আসছে মৌসুমেই তাদেরকে প্রায় ১৫ বছর পর দেখা যেতে পারে লা লিগায়। এই বিষয়টাকে একপাশে রাখলেও অন্য একটা ভয় তো ছিলই, আগের রাতে রিয়াল মাদ্রিদ দ্বিতীয় বিভাগেরই দল আলবাসেতের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছিল।

সে যে কারণেই হোক, কোচ হানসি ফ্লিক মোটামুটি শক্তিশালী দলই নামিয়েছিলেন সান্তান্দেরের বিপক্ষে। রাফিনিয়া, পেদ্রি, রবার্ট লেভান্ডভস্কিদের মতো তারকাদের বিশ্রাম দিলেও আক্রমণে রেখেছিলেন লামিন ইয়ামাল, দানি অলমোদের; রক্ষণ নিয়ে কোনো আপসে যাননি তিনি, গোলরক্ষক হোয়ান গার্সিয়া, জুলস কুন্দে, অ্যালেক্স বালদেদের মতো নিয়মিত মুখদের নিয়েই সাজিয়েছিলেন একাদশটা।

তবে এই দল নিয়েও বার্সাকে গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে ৬৬ মিনিট পর্যন্ত। বদলি হিসেবে মাঠে নামা ফেরমিন লোপেজের রক্ষণচেরা পাসে দারুণ এক ফিনিশে বল জালে জড়ান ফেররান তরেস।

সেই গোল খেয়ে জেগে উঠেছিল সান্তান্দের। দুবার বল জালেও জড়িয়েছিল। তবে দুবারই অফসাইডের কাটায় পড়ে সমতা ফেরানো হয়নি তাদের।

যে একটা বার অফসাইডের ফাঁদ এড়াল, তখন দেয়াল তুলে দাঁড়ালেন গার্সিয়া। যোগ করা সময়ের চতুর্থ মিনিটে সান্তান্দের স্ট্রাইকার মানেক্স লজানো একা পেয়ে গিয়েছিলেন তাকে, তবে বাম পাশ দিয়ে বেরিয়ে যেতে থাকা বলটা এক হাতে ঠেকান গার্সিয়া, ফলে সমতায় ফিরতে পারেনি দ্বিতীয় বিভাগের দলটা।

তার একটু পরই লামিন ইয়ামাল গোলের দেখা পেয়ে যান। প্রতি আক্রমণে উঠে এসে তিনি বল বাড়িয়েছিলেন রাফিনিয়াকে। তবে তিনি তা নিঃস্বার্থভাবে ফেরত পাঠান ফাঁকায় দাঁড়ানো লামিনকে। সেখান থেকে গোল করার চেয়ে মিস করাটা কঠিন ছিল। লামিন হেঁটেছেন সহজ পথেই, ফলে বার্সেলোনাও হাঁফ ছেড়ে বাঁচে। কোপা দেল রের বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা চলে যায় প্রতিযোগিতার শেষ আটে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *