১২ ফেব্রু ২০২৬, বৃহঃ

ইউরোপের ৯৬ ক্লাবের ভিড়ে বার্সেলোনা যেখানে এগিয়ে

হান্সি ফ্লিকের মতো নির্ভার কোচ এখন সম্ভবত ইউরোপে আর কেউ নন! গোলের জন্য কোচদের কত কৌশল বদলাতে হয়, কত স্ট্রাইকার বদলাতে হয়। এদিক দিয়ে ফ্লিক বেশ নিশ্চিন্ত। যাঁকেই নামান গোল আসছে। গোল করার লোকের অভাব নেই বার্সেলোনায়।

ব্যাপারটা আরেকটু খুলে বলা যাক। এলচের মাঠে শনিবার রাতে ৩–১ গোলের সহজ জয় পেয়েছে হান্সি ফ্লিকের দল। এই জয়ে ২২তম রাউন্ড শেষে রিয়ালের চেয়ে এক পয়েন্টে এগিয়ে শীর্ষে অবস্থান করছে বার্সা।
এলচের মাঠে গোল পেয়েছেন বার্সেলোনার তিনজন—লামিনে ইয়ামাল, ফেরমিন লোপেজ ও মার্কাস রাশফোর্ড। এর মধ্যে লোপেজ ও রাশফোর্ডের গোলে বার্সেলোনা চলতি মৌসুমে ইউরোপীয় দলগুলোর মধ্যে অনন্য এক অর্জনে নাম লিখিয়েছে, যা অন্য কোনো দলের নেই।
লোপেজ ও রাশফোর্ড, দুজনেই চলতি মৌসুমে নিজেদের দশম গোল করলেন এই ম্যাচে। এর ফলে এই মৌসুমে বার্সেলোনার হয়ে ১০ বা এর বেশি গোল করা খেলোয়াড়ের সংখ্যা এখন দাঁড়িয়েছে ৬–এ। লোপেজ-রাশফোর্ডের আগে এই তালিকায় নাম লিখিয়েছেন ফেরান তোরেস, রাফিনিয়া, লামিনে ইয়ামাল ও রবার্ট লেভানডফস্কি। ইউরোপের শীর্ষ পাঁচ লিগের মোট ৯৬টি ক্লাবের মধ্যে বার্সেলোনাই একমাত্র দল, যাদের অন্তত ছয়জন খেলোয়াড় চলতি মৌসুমে ১০টি করে গোল করেছেন।
বার্সার এই ‘দলগত’ গোল উৎসবের ধারেকাছেও নেই অন্য কোনো ক্লাব। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ তিনজন খেলোয়াড়ের অন্তত ১০ গোল আছে শুধু বায়ার্ন মিউনিখের। জার্মান ক্লাবটির গোলমেশিন হ্যারি কেইন একাই করেছেন ৩৬ গোল। বাকি দুই গোলদাতা লুইস দিয়াজ (১৫) ও মাইকেল ওলিসের (১৩) গোলসংখ্যা যোগ করলেও কেইনের সমান হয় না।
বার্সেলোনা এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম। এখন পর্যন্ত কেউ ২০ গোল করতে পারেননি। ১৬ গোল নিয়ে দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা ফেরান তোরেস। রাফিনিয়া ও ইয়ামাল করেছেন ১৩টি করে গোল। অভিজ্ঞ স্ট্রাইকার লেভানডফস্কির গোলসংখ্যা ১২।

গোল করার দায়িত্বটা যেন বার্সা ড্রেসিংরুমের সবাই নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নিয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *