৫ মার্চ ২০২৬, বৃহঃ

দারুণ সূচনা করেছিলেন জোয়াও পেদ্রো। কিন্তু মৌসুমের মাঝপথে এসে ছন্দ হারিয়ে ফেলেন এই ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। অবশেষে আবারও জ্বলে উঠলেন তিনি। তার হ্যাটট্রিকে বড় জয় পেল চেলসি। এই জয়ে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষ পাঁচে ঢুকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ফেরার আশা জোরালো করল লন্ডনের ক্লাবটি।

বুধবার (৪ মার্চ) রাতে ভিলার মাঠে ৪-১ গোলে অ্যাস্টন ভিলাকে হারিয়েছে চেলসি। শুরুতে পিছিয়ে পড়লেও পরে দারুণভাবে ম্যাচে ফেরে সফরকারীরা।

ম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই এগিয়ে যায় ভিলা। ডি-বক্সে পাস পেয়ে ডিফেন্ডারের পায়ের ফাঁক দিয়ে ব্যাক-হিলে গোল করেন ডগলাস লুইজ। তবে সেই লিড বেশিক্ষণ টেকেনি। ৩৫তম মিনিটে কাছ থেকে বল জালে জড়িয়ে সমতা ফেরান পেদ্রো।

বিরতির আগে ইনজুরি সময়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। এনজো ফার্নান্দেজের বাড়ানো থ্রু বল ধরে এগিয়ে আসা গোলরক্ষক এমি মার্টিনেজকে পরাস্ত করেন পেদ্রো। বাঁ পায়ের নিখুঁত ফ্লিকে বল জালে জড়ান তিনি।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে চেলসি। রিস জেমসের শট মার্টিনেজ ঠেকালেও ফিরতি বলে বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শটে গোল করেন কোল পালমার। স্কোরলাইন তখন ৩-১।

৬৪তম মিনিটে হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন পেদ্রো। আলেহান্দ্রো গার্নাচোর পাস থেকে ডান পায়ের শটে বল জালে পাঠান তিনি। গত গ্রীষ্মে চেলসিতে যোগ দেওয়ার পর এটি তার প্রথম হ্যাটট্রিক। চলতি মৌসুমে এটি তার ১৪তম গোল।

পুরো ম্যাচে ৫৯ শতাংশ সময় বল দখলে রাখে চেলসি। তারা মোট ১৭টি শট নেয়, যার ৯টি ছিল লক্ষ্যে। ভিলা নেয় ৮টি শট, লক্ষ্যে রাখতে পারে ৪টি।

এই জয়ে ২৯ ম্যাচে ৪৮ পয়েন্ট নিয়ে পাঁচ নম্বরে উঠেছে চেলসি। সমান ম্যাচে সমান পয়েন্ট নিয়ে তাদের ঠিক পেছনে রয়েছে লিভারপুল। আর ৫১ পয়েন্ট নিয়ে চতুর্থ স্থানে আছে অ্যাস্টন ভিলা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *