১৪ মার্চ ২০২৬, শনি

মহান আল্লাহতায়ালা কুরআনে জাকাত বণ্টনের আটটি খাত নির্ধারণ করে দিয়েছেন। আল্লাহ বলেন, ‘জাকাত তো শুধু ফকির, মিসকিন, জাকাত আদায়ে নিয়োজিত কর্মচারী, যাদের অন্তর ইসলামের দিকে আকৃষ্ট করা হয়, দাসমুক্তি, ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি, আল্লাহর পথে সংগ্রামকারী এবং মুসাফিরের জন্য নির্ধারিত।’ (সূরা তাওবা : ৬০।)
এ আয়াতের আলোকে ইসলামি ফকিহদের মতে উল্লিখিত আট শ্রেণির মানুষকে জাকাত দেওয়া বৈধ। দরিদ্র আত্মীয়স্বজনকে জাকাত দেওয়া উত্তম। তবে তাদের সরাসরি জাকাত না বলে হাদিয়া বলে দিলে তারা বিব্রত বোধ করবে না।

বিশেষ করে দ্বীনি শিক্ষায় নিয়োজিত তালিবে ইলমদের জাকাত দেওয়া অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। এতে জাকাত আদায়ের পাশাপাশি সদকায়ে জারিয়ার সওয়াবও পাওয়া যায়। জাকাত মূলত মুসলমানদের জন্য নির্ধারিত। কোনো অমুসলিমকে জাকাত দিলে তা আদায় হবে না। তবে নফল দান-খয়রাত অমুসলিমকেও করা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *