ইবোলার প্রাদুর্ভাবে কঙ্গোতে অন্তত ১০০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এ তথ্য জানিয়েছেন আফ্রিকা সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশনের প্রধান জ্যাঁ কাসেয়া।
তিনি বিবিসিকে বলেন, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে ইবোলার প্রাদুর্ভাবে অন্তত ১০০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে এবং ৩৯০ জনেরও বেশি আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জ্যাঁ কাসেয়া সতর্ক করে বলেছেন যে, যেহেতু এই রোগের এখনো কোনো অনুমোদিত ওষুধ বা টিকা নেই, তাই ইবোলায় আক্রান্তদের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়াসহ সকলকেই জনস্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে।
মার্কিন সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (সিডিসি) জানিয়েছে, উগান্ডাতেও দুজন আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে এবং একজনের মৃত্যু হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বান্ডিবুগিও ভাইরাস দ্বারা সৃষ্ট ইবোলার বর্তমান স্ট্রেইনের প্রাদুর্ভাবকে একটি আন্তর্জাতিক জরুরি অবস্থা হিসেবে ঘোষণা করেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলেছে, ডিআর কঙ্গোর পূর্বাঞ্চলীয় ইতুরি প্রদেশে এই রোগের প্রাদুর্ভাব জনস্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা তৈরি করেছে।
সংস্থাটি আরও সতর্ক করেছে যে, বর্তমানে যা শনাক্ত ও রিপোর্ট করা হচ্ছে, তার চেয়ে এটি সম্ভবত অনেক বড় একটি প্রাদুর্ভাব হতে পারে এবং এর স্থানীয় ও আঞ্চলিকভাবে ছড়িয়ে পড়ার উল্লেখযোগ্য ঝুঁকি রয়েছে।
উল্লেখ্য, পশ্চিম আফ্রিকায় ২০১৪-২০১৬ সালের প্রাদুর্ভাবের সময় ইবোলা পশ্চিম আফ্রিকার ভেতরে ও বাইরে গিনি, সিয়েরা লিওন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং ইতালিসহ বেশ কয়েকটি দেশে ছড়িয়ে পড়ে এবং এতে ১১ হাজার ৩২৫ জন মারা যায়।

