ঢাকা-ভাঙ্গা হাইওয়ে এক্সপ্রেসের ভাঙ্গা উপজেলার মালিগ্রাম এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দেয় প্রাইভেটকার। এতে প্রাইভেটকারে থাকা মা-ছেলে সহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও দুজন।
মঙ্গলবার (২ জুন) ভোর সাড়ে ৪টার দিকে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পেছনে দ্রুতগামী প্রাইভেটকার ঢুকে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই দুই নারী ও দুই পুরুষ সহমোট চারজন নিহত হয় এবং ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে আরও একজন মারা যায়। এ সময় দুই শিশু গুরুতর আহত হয়।
নিহতরা হলেন যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার উজ্জ্বলপুর গ্ৰামের শহিদুল ইসলামের স্ত্রী নুরজাহান (৫০) ও তার পুত্র আরিফ ইসলাম (২৪), রাকিব (১৮), ইলিয়াস হোসেনের স্ত্রী আয়শা বেগম (২৮) এবং চালক (২৫)। চালকের নাম জানা যায়নি।
দুর্ঘটনায় আহতরা হয়েছে আশরাফুল হোসেন (৭) ও তাছফিয়া (৩)।
প্রাইভেট কারটি ঢাকা থেকে যশোরের দিকে যাচ্ছিল।
গুরুতর আহতদের প্রথমে ভাঙ্গা হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও তাদের অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাদের ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সেখানে আহত অবস্থায় রাকিব নামের একজন মারা যায়।
এ ব্যাপারে শিবচর হাইওয়ে থানার এসআই নুর আলম জানান, মালিগ্ৰাম বাসস্ট্যান্ডে গ্যাস ভর্তি দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পেছনে যশোরগামী একটি প্রাইভেটকার ঢুকে যায়।
খবর পেয়ে ভাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ও শিবচর হাইওয়ে থানার পুলিশ উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। ঘটনা স্থলে নিহত চারজনের লাশ ভাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পর শিবচরে হাইওয়ে থানায় আনা হয় এবং আহতদের তিনজনের মধ্যে একজন ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে নেওয়ার পথে একজন মারা যায়।
দুর্ঘটনায় মোট পাঁচজন নিহত ও দুজন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনা কবলিত ট্রাক ও প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে ভাঙ্গা ফায়ার স্টেশন ম্যানেজার আবু জাফর জানান, ভোর সাড়ে ৪টার দিকে সংবাদ পেয়ে আমরা দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাইভেট কারের চালক ও যাত্রীদের উদ্ধার করি। এ সময় প্রাইভেট কারের চালক প্রাইভেট কারসহ ট্রাকের পেছনে আটকে ছিল। পরবর্তীতে প্রাইভেট কারটি কিছু অংশ কেটে চালককের লাশ উদ্ধার করা হয়।

