30 Jun 2026, Tue

শেষ মুহূর্তের গোলে শেষ ষোলোর টিকিট কাটল ব্রাজিল

দুর্দান্ত লড়াইয়ের পর নাটকীয় জয় তুলে নিয়েছে ব্রাজিল। প্রথমার্ধে জাপানের কাছে পিছিয়ে পড়লেও দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়িয়ে ২-১ ব্যবধানে ম্যাচ জিতে শেষ ষোলোর টিকিট নিশ্চিত করেছে সেলেসাওরা। নির্ধারিত সময় শেষে যোগ করা সময়ের একেবারে শেষ মুহূর্তে গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লির জয়সূচক গোল ব্রাজিলকে এনে দেয় কাঙ্ক্ষিত জয়।
ম্যাচের শুরু থেকেই বলের নিয়ন্ত্রণ ছিল ব্রাজিলের দখলে। একের পর এক আক্রমণ চালালেও জাপানের সুশৃঙ্খল রক্ষণ এবং গোলরক্ষক সুজুকির দৃঢ়তায় গোলের দেখা পাচ্ছিল না তারা। তৃতীয় মিনিটে ব্রুনো গিমারায়েসের শট প্রতিপক্ষের গায়ে লেগে বাইরে চলে যায়। এরপর ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, দানিলো ও কুনহার চেষ্টাও ব্যর্থ হয়।

খেলার ২৯তম মিনিটে পালটা আক্রমণে এগিয়ে যায় জাপান। মাঝমাঠে বল দখলের পর সানো দ্রুতগতিতে এগিয়ে গিয়ে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া দুর্দান্ত শটে ব্রাজিলের জালে বল পাঠান। গোল হজমের পর সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ব্রাজিল, তবে প্রথমার্ধে আর সফল হতে পারেনি।

বিরতির পর দলে পরিবর্তন এনে পাকেতার জায়গায় এন্দ্রিককে নামান ব্রাজিলের কোচ কার্লো আনচেলত্তি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আক্রমণের গতি বাড়ায় তারা।

৫২ মিনিটে গিমারায়েসের হেড দারুণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন সুজুকি। এরপর ৫৫ মিনিটে কাসেমিরোর হেড গোললাইন থেকে ফিরিয়ে দেন তোমিয়াসু। তবে এক মিনিট পর আর রক্ষা হয়নি জাপানের। কাছ থেকে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে কাসেমিরো সমতায় ফেরান ব্রাজিলকে।

সমতা ফেরানোর পরও আক্রমণ অব্যাহত রাখে ব্রাজিল। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র অসাধারণ ব্যক্তিগত নৈপুণ্যে একাধিক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে শট নিলেও বল পোস্টে লেগে ফিরে আসে। এন্দ্রিক, গিমারায়েস ও রায়ানের চেষ্টাও শেষ পর্যন্ত গোল এনে দিতে পারেনি।

ম্যাচ ড্রয়ের দিকেই এগোচ্ছিল এমনটা ধরেই নিয়েছিলেন দর্শক-সমর্থকরা। ঠিক তখন ইনজুরি সময়ের শেষ মুহূর্তে আসে ব্রাজিলের কাঙ্ক্ষিত সাফল্য।

জাপানের রক্ষণভাগের ভুলের সুযোগ নিয়ে গিমারায়েসের বাড়ানো থ্রু পাস থেকে বল নিয়ন্ত্রণে নেন গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেল্লি। সুজুকিকে পরাস্ত করে নিখুঁত শটে বল জালে পাঠান তিনি। তার ৯৬তম মিনিটের সেই গোলেই ২-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে ব্রাজিল এবং শেষ ষোলোর টিকিট কেটে নেয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *