2 Jul 2026, Thu

ডিআর কঙ্গোর হৃদয় ভেঙে হ্যারি কেইনের জোড়া গোলে শেষ ষোলোতে জায়গা করে নিয়েছে ইংল্যান্ড। দুর্দান্ত ছন্দ ধরে রেখে ২-১ গোলের ব্যবধানে জয় তুলে নিয়েছে থ্রি লায়ন্সরা। কোয়ার্টার ফাইনালে এস্তাদিও অ্যাজতেকা স্টেডিয়ামে তারা স্বাগতিক মেক্সিকোর মুখোমুখি হবে।

এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই আত্মবিশ্বাসী ফুটবল খেলতে থাকে ডিআর কঙ্গো। তাদের আক্রমণাত্মক কৌশলের ফলও আসে দ্রুত। প্রথমার্ধের সাত মিনিটে ব্রায়ান সিপেঙ্গা গোল করে এগিয়ে দেন আফ্রিকার দলটিকে। অপ্রত্যাশিতভাবে পিছিয়ে পড়ে চাপে পড়ে যায় ইংল্যান্ড।

গোল হজমের পর ইংল্যান্ড বলের দখল নিয়ে একের পর এক আক্রমণ চালালেও প্রথমার্ধে সমতায় ফিরতে পারেনি। হ্যারি কেইন, বুকায়ো সাকা, ফিল ফোডেন ও অ্যান্থনি গর্ডনদের কয়েকটি প্রচেষ্টা ডিআর কঙ্গোর রক্ষণভাগ এবং গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় ব্যর্থ হয়। ফলে ১-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থেকেই বিরতিতে যায় ইংলিশরা।

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। গোল আদায় করতে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে হ্যারি কেইনরা। একের পর এক আক্রমণে কঙ্গোর রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রাখে তারা। অবশেষে ৭৫তম মিনিটে কাঙ্ক্ষিত সমতা আসে। অ্যান্থনি গর্ডনের নিখুঁত ক্রসে দুর্দান্ত হেডে বল জালে পাঠিয়ে ম্যাচে ১-১ সমতা ফেরান অধিনায়ক হ্যারি কেইন।

১৯৬৬ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর এবারই প্রথম বিশ্বকাপে কোনও ম্যাচে প্রথমে গোল হজম করে পিছিয়ে থেকেও জয় তুলে নিল থ্রি লায়নরা। তাই শুধু শেষ ষোলোর টিকিটই নয়, এ জয় ইংল্যান্ডের জন্য একটি ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তনেরও প্রতীক হয়ে থাকলো।

অন্যদিকে পুরো ম্যাচজুড়ে দারুণ লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে ডিআর কঙ্গোকে। শক্তিশালী ইংল্যান্ডকে দীর্ঘ সময় চাপে রাখলেও শেষ মুহূর্তের দুটি গোলে বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়ে গেল আফ্রিকার প্রতিনিধিদের।

সমতায় ফেরার পরও থেমে থাকেনি ইংল্যান্ড। জয়সূচক গোলের খোঁজে লাগাতার চাপ সৃষ্টি করতে থাকে তারা। সে চাপেরই পুরস্কার আসে ম্যাচের ৮৬তম মিনিটে। আবারও সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন হ্যারি কেইন। তার গোলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড, যা শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত করার জন্য যথেষ্ট ছিলো। একইসঙ্গে বিশ্বকাপ ইতিহাসে নিজের গোলসংখ্যা ১৩-এ উন্নীত করে ব্রাজিলের কিংবদন্তি পেলের রেকর্ডকেও ছাড়িয়ে যান কেইন। চলতি আসরে এটি তার পঞ্চম গোল।

অন্যদিকে পুরো ম্যাচজুড়ে দারুণ লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত হতাশা নিয়েই মাঠ ছাড়তে হয়েছে ডিআর কঙ্গোকে। শক্তিশালী ইংল্যান্ডকে দীর্ঘ সময় চাপে রাখলেও শেষ মুহূর্তের দুটি গোলে বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হয়ে গেল আফ্রিকার প্রতিনিধিদের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *