আমেরিকান মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) নিজের দুর্দান্ত ফর্ম ধরে রেখেছেন লিওনেল মেসি। সর্বশেষ ম্যাচে দ্রুততম সময়ে ১০০ গোল-অ্যাসিস্টের রেকর্ড গড়ার পর এবার জোড়া গোল ও একটি অ্যাসিস্ট করে ইন্টার মিয়ামিকে রোমাঞ্চকর জয় এনে দিয়েছেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। এফসি সিনসিনাতির মাঠে ৩-২ গোলে পিছিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত ৫-৩ ব্যবধানে জয় তুলে নেয় মিয়ামি।
বৃহস্পতিবারের (১৪ মে) ম্যাচে মেসি চাইলে হ্যাটট্রিকও পেতে পারতেন। ম্যাচের শেষ দিকে তার নেওয়া শট পোস্টে লেগে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের গায়ে স্পর্শ করে জালে ঢোকে। শুরুতে সেটিকে মেসির গোল হিসেবে ধরা হলেও পরে সেটি আত্মঘাতী গোল হিসেবে ঘোষণা দেয় এমএলএস কর্তৃপক্ষ। ফলে অল্পের জন্য ৬১তম ক্যারিয়ার হ্যাটট্রিক হাতছাড়া হয় বিশ্বকাপজয়ী এই তারকার।
চলতি মৌসুমে এটি তৃতীয় ম্যাচ, যেখানে তিনটি গোলে সরাসরি অবদান রাখলেন মেসি। এখন পর্যন্ত এমএলএসে তার গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২-তে। টপ স্কোরারের তালিকায় তিনি রয়েছেন দ্বিতীয় স্থানে। অন্যদিকে পেশাদার ক্যারিয়ারে তার মোট গোল এখন ৯১০ এবং অ্যাসিস্ট ৪১১টি।
টিকিউএল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলেছে ইন্টার মিয়ামি। বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে থাকা সফরকারীরা ১৭টি শট নেয়, যার মধ্যে ৬টি ছিল লক্ষ্যে। বিপরীতে সিনসিনাতি ১০টি শটের মধ্যে লক্ষ্যে রাখতে পারে ৩টি।
ম্যাচে প্রথম গোলটি আসে মেসির পা থেকেই। ২৪তম মিনিটে প্রতিপক্ষ ডিফেন্ডারের ভুলে পাওয়া বল সহজেই জালে জড়িয়ে দলকে এগিয়ে দেন তিনি। তবে ৪১তম মিনিটে কেভিন ডেনকির পেনাল্টি গোলে সমতায় ফেরে সিনসিনাতি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে পাভেল বুচার গোল করে স্বাগতিকদের এগিয়ে নিলেও ছয় মিনিট পর লুইস সুয়ারেজের পাস থেকে দুর্দান্ত শটে আবার সমতা ফেরান মেসি।
৬৪তম মিনিটে এভান্ডারের দূরপাল্লার শটে আবারও এগিয়ে যায় সিনসিনাতি। তবে এরপরই ঘুরে দাঁড়ায় মিয়ামি। মাতেও সিলভেট্টির গোলে সমতা ফেরানোর পর সেট-পিস পরিস্থিতিতে জার্মান বারতেরামে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন।
শেষদিকে মেসির শট পোস্টে লেগে গোলরক্ষকের গায়ে স্পর্শ করে জালে ঢুকলে স্কোরলাইন দাঁড়ায় ৫-৩। যদিও পরে সেটিকে আত্মঘাতী গোল হিসেবে রেকর্ড করা হয়।
এখন পর্যন্ত এমএলএসের নিয়মিত মৌসুমে ৬৫ ম্যাচে মেসির গোল ৬১টি, সঙ্গে রয়েছে ৪২টি অ্যাসিস্ট।

