তানজিম হাসান সাকিব বাংলাদেশ দলের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিলেন এই গেল বছরও। কিন্তু হুট করে তিনি বাদ পড়েন। তার প্রধান কারণ অবশ্য পারফর্ম্যান্স নয়, চোট।
পিঠের চোটের কারণে গেল বছর আফগানিস্তান সিরিজের পর থেকেই দল থেকে ব্রাত্য হয়ে পড়েছিলেন। মাঝে বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে খেলেছে, চলতি বছর খেলেছে পাকিস্তানের বিপক্ষেও। এমনকি নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষেও দুটি ম্যাচ খেলে ফেলেছে। সাকিবের দলে ফেরা হচ্ছিল না এর মধ্যে।
তবে অবশেষে তিনি দলে ফিরেছেন। চোট যখন তাকে ছিটকে দিচ্ছিল, তার আগে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে নিজের সেরা সময়টা পার করছিলেন। সবশেষ ৫ ম্যাচে তিনি তুলে নিয়েছেন ১১ উইকেট। তার ৪টি ম্যাচে তিনি বল হাতে নিয়েছেন নতুন বলে। এই দুটো পরিসংখ্যানই বলে দেয়, দলের গুরুত্বপূর্ণ একজনই ছিলেন তিনি।
চোট সামলে ফেরার পর নিজেকে নতুন করে ফিরে পাওয়ার লড়াই তার। বৃহস্পতিবার তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে তিনি ফিরতে পারেন। তাসকিন আহমেদ শেষ দুই ম্যাচে খেলেছেন, খানিকটা ছন্দহীনও মনে হয়েছে তাকে। তার জায়গায় দলে ফিরতে পারেন তিনি।
২ ম্যাচের সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ হেরেছে ২৬ রানে। তবে দ্বিতীয় ম্যাচে ১৫ ওভার হাতে রেখে ম্যাচ জিতে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে স্বাগতিকরা। যার ফলে চট্টগ্রামের সাগরিকায় শেষ ম্যাচটা বনে গেছে অঘোষিত ফাইনাল।
ম্যাচের গুরুত্ব বিবেচনায় রাখলে সদ্য চোটফেরত তার ওপর ভরসা নাও রাখতে পারে টিম ম্যানেজমেন্ট। চোট থেকে ফিরেই আগের ছন্দ আর ফর্মে ফেরাটা তো মোটেও সহজ কাজ নয়!
তবে শেষমেশ কোন পথে হাঁটবে ম্যানেজমেন্ট, সে প্রশ্নের জবাব মিলবে আগামী বৃহস্পতিবার ম্যাচের এক ঘণ্টা আগেই।

